১. সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা । আনন্দ হল আপনি যা চান তা পাওয়া।২. যার কথার চেয়ে কাজের পরিমাণ বেশি, সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা দেয়, কারণ যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততো কম।
৩. কৰ্মহীন জীবন হতাশার কাফনে জড়ানো জীবন্ত লাশ।
৪. একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার চেয়ে একটি কুৎসিত মুখের মধুর কথা অধিকতর শ্রেয়।
৫. জীবনে পাওয়ার হিসাব করুন, না পাওয়ার দুঃখ থাকবে না।
৬. দক্ষতা অর্জনের পথ হলো –
ক ) অপরের অভিজ্ঞতা মনে রাখুন
খ ) নিজের উদ্দেশ্য সামনে রাখুন
গ ) সাফল্যের জন্য মনকে তৈরি করুন।
ঘ ) যতটা সম্ভব অভ্যেস করুন।
৭. দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল ব্যস্ত থাকুন।
৮. যার মাঝে সীমাহীন উৎসাহ, বুদ্ধি ও একটানা কাজ করার গুন থাকে, তার সফল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
৯. সব সময়ই অপর ব্যক্তিকে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব উপলব্ধি করার সুযোগ দিন।
১০. মন্দ সহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক ভালো।
১১. সবসময় হাসতে হবে। হাসির মাধ্যমে আমরা জীবনের অনেক সমস্যাকে দূর আকাশে পাঠাতে পারি।
১২. যিনি নিজের মন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন তিনি সফলতা লাভ করেছেন।
১৩. যা আপনাকে পীড়া দেয়, এমন বিষয় নিয়ে এক মিনিটের বেশি ভাববেন না।
১৪. মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা করুন, দোষ নিয়ে নয়।
১৫. পৃথিবীতে ভালোবাসার একটি মাত্র উপায় আছে। সেটা হল প্রতিদান পাওয়ার আশা না করে শুধু ভালোবেসে যাওয়া।
১৬. মনে রাখা প্রয়োজন যে, একজন হতাশাগ্রস্ত মানুষের চেয়ে একজন সুখী মানুষ হাজার গুন বেশি কর্মক্ষম।
১৭. মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা অনেক ক্ষেত্রেই আড়াল করা প্রশংসাই : মনে রাখবেন মরা কুকুরকে কেউ লাথি মারে না।
১৮. মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায় , তখন তাকে কোনভাবে বিরক্ত করা উচিত নয়। কেননা তা থেকে চরম ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।
১৯. মনে রাখবেন আজকের দিনটা গতকাল আপনার কাছে আগামীকাল ছিল। যেটার কথা ভেবে গতকাল আপনি চিন্তিত ছিলেন আজ নয়।
২০. অস্পষ্টতায় ভরা দূরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার।
২১. কি কাজ করতে চলেছেন সে সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকার অর্থ , আপনি অন্ধকারের যাত্রী কোনো অন্ধের মতো ।
২২. ভদ্র আচরণ করতে শিক্ষা লাগে ,অভদ্র আচরণ করতে অজ্ঞতাই যথেষ্ট।
২৩. আমরা যখন আমাদের কর্তব্য-কর্মে অবহেলা দেখাই, কোনো দায়িত্বকে নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহণ করিনা, তখনই অকৃতকার্যতা আসে।
২৪. আত্ম -সম্মান,আত্মজ্ঞান,আত্মনিয়ন্ত্রণ–এই তিনটিই শুধু মানুষকে সর্বশক্তিমান করে তুলতে পারে। সঠিক জীবন যাপন নির্ভর করে এদের উপরে।
২৫. নিজের কাজকে ভালোবাসুন। আমাদের কাজের পিছনে যখন অনুভূতি কাজ করে আমরা তখনই সেরা হয়ে উঠি।
২৬. মনে রাখবেন , আপনি কে বা আপনার কি আছে তার উপর আপনার সুখ নির্ভর করে না , আপনার সুখ নির্ভর করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার উপর।
২৭. আপনি ভালো মানুষ হলেই পুরো জগৎবাসী আপনার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়।
২৮. যে অবস্থায় পড়ুন না কেন–অবস্থার ভালো-মন্দ না দেখে বিচার করা উচিত নয়।
২৯. অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন।
৩০. জগতে যা খারাপ হতে পারে মেনে নাও।
