স্নেহভাজনেষু কক্ষসখা(রুমমেট),
আশা করিতেছি দূ'দিন খুব ভালোই সময় কাটাইয়াছিস তোর প্রাণপ্রিয়া সহধর্মিণীর সহিত
দূ'দিন বাদে কক্ষে ফিরিয়া আসিলাম আজ। সবকিছু আগের মতো সাজানো-গোছানো আছে দেখিয়া প্রীত হইলাম। বিছানার চাদরখানি পাল্টাইয়া নতুন চাদর পাতিয়াছিস দেখিয়া বুঝিতে পারিলাম খানিকটা কান্ডজ্ঞান হইয়াছে তোর।
। প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে আমি সর্বদায় আমার সাধ্যমতো সর্বোচ্য সমর্থন দান করিয়া থাকি। তাইতো আমার সাজানো-গোছানো কক্ষখানি তোদের কল্যাণার্থে ছাড়িয়া দিয়া ঢাকা শহরের এদিক-ওদিক ভবঘুরের মত ঘুরিলাম।দূ'দিন বাদে কক্ষে ফিরিয়া আসিলাম আজ। সবকিছু আগের মতো সাজানো-গোছানো আছে দেখিয়া প্রীত হইলাম। বিছানার চাদরখানি পাল্টাইয়া নতুন চাদর পাতিয়াছিস দেখিয়া বুঝিতে পারিলাম খানিকটা কান্ডজ্ঞান হইয়াছে তোর।
তোর স্ত্রীর আগমনে আমার কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু আপত্তি ঘটিল তখন, যখন ঘরভর্তি তোর স্ত্রীর মাথার কেশ ছড়াইয়া-ছিটাইয়া থাকিতে দেখিলাম। খাটের চিপায়,মেঝেতে,পুস্তক রাখিবার স্হানে,স্নানাগারের সামনে, রন্ধনশালায়....এমন কোনো স্হান পাইলাম না যেথায় তোর স্ত্রীর চুল খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। শীতকালে গাছের পাতা ঝড়ে জানিতাম কিন্তু স্ত্রী-জাতির চুলও যে এমন করিয়া ঝড়িয়া পড়ে তাহা আজই প্রথম স্বচক্ষে দেখিলাম।
পরক্ষনে খাটের উপর বসিয়া উহার নড়বড়ে অবস্হা দেখিয়া বুঝিতে বাঁকি রইলোনা যে দূ'দিন যাবৎ উহার উপর দিয়া কি রকম ভূ-কম্পন গিয়াছে। নতুন বিবাহের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বোধকরি এমন করিয়াই ঘটিয়া থাকে।
পরসমাচার এই যে, একটু পরিষ্কার(ফ্রেশ) হইবার নিমিত্তে শৌচাগারে ঢুকিয়া কমোডের ভিতর রবারের তৈরী শুভ্র বস্তুখানি ভাঁসিতে দেখিয়া হাঁসিবো নাকি কাঁদিবো তাহা বুঝিয়া উঠিতে পারিলাম না। যুগের পর যুগ যে বস্তুখানি জনসংখ্যা রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখিয়া মানবজাতির উপকার করিয়া আসিতেছে উহাকে ব্যবহার শেষে কমোডে ফেলিয়া ঠিকমতো জল ঢালিলে তাহা এখন অবধি অসহায়ের মতো হেথায় ভাঁসিয়া থাকিতো না। আমার এই কথাখানি তুই পরবর্তি সময়ে স্বীকার করিতে চাইবিনে তাই প্রমাণস্বরুপ উহার একখানা ফটো তুলিয়া তোর ফেসবুক ইনবক্সে পাঠাইয়া রাখিলাম (আলো স্বল্পতায় ফটোখানি বোধকরি অস্পষ্ট উঠিয়াছে, জুম করিয়া দেখিয়া লইবি)।
পরক্ষনে খাটের উপর বসিয়া উহার নড়বড়ে অবস্হা দেখিয়া বুঝিতে বাঁকি রইলোনা যে দূ'দিন যাবৎ উহার উপর দিয়া কি রকম ভূ-কম্পন গিয়াছে। নতুন বিবাহের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বোধকরি এমন করিয়াই ঘটিয়া থাকে।
পরসমাচার এই যে, একটু পরিষ্কার(ফ্রেশ) হইবার নিমিত্তে শৌচাগারে ঢুকিয়া কমোডের ভিতর রবারের তৈরী শুভ্র বস্তুখানি ভাঁসিতে দেখিয়া হাঁসিবো নাকি কাঁদিবো তাহা বুঝিয়া উঠিতে পারিলাম না। যুগের পর যুগ যে বস্তুখানি জনসংখ্যা রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখিয়া মানবজাতির উপকার করিয়া আসিতেছে উহাকে ব্যবহার শেষে কমোডে ফেলিয়া ঠিকমতো জল ঢালিলে তাহা এখন অবধি অসহায়ের মতো হেথায় ভাঁসিয়া থাকিতো না। আমার এই কথাখানি তুই পরবর্তি সময়ে স্বীকার করিতে চাইবিনে তাই প্রমাণস্বরুপ উহার একখানা ফটো তুলিয়া তোর ফেসবুক ইনবক্সে পাঠাইয়া রাখিলাম (আলো স্বল্পতায় ফটোখানি বোধকরি অস্পষ্ট উঠিয়াছে, জুম করিয়া দেখিয়া লইবি)।
যাহা-হউক, নিজেই স্থান দিয়াছি তাই এহেন যাতনা মানিয়া লইলাম। এখন কাজের কথায় আসিতেছি, তোর সহধর্মিণীকে তাহার গন্তব্যে পৌঁছাইয়া দিয়া যতো দ্রুত সম্ভব কক্ষে ফিরিয়া আসিয়া সহস্তে ঝাড়ু দিয়া কক্ষখানা কেশমুক্ত করিয়া আমার প্রতি সদয় হইবি বলিয়া আশা করিতেছি।
আরেকটা কথা বলিতে ভুলিয়া গিয়াছি,আমার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন স্বরুপ তোরা যে মুরগির গোশ্তখানি রাঁধিয়া রাখিয়া গিয়াছিস তাহাতে নূনের কিঞ্চিৎ আধিক্য ঘটিয়াছে বটে তদুপরি বেশ ভালোই হইয়াছে।
আরেকটা কথা বলিতে ভুলিয়া গিয়াছি,আমার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন স্বরুপ তোরা যে মুরগির গোশ্তখানি রাঁধিয়া রাখিয়া গিয়াছিস তাহাতে নূনের কিঞ্চিৎ আধিক্য ঘটিয়াছে বটে তদুপরি বেশ ভালোই হইয়াছে।
তোর নির্বিঘ্ন প্রত্যাবর্তন প্রত্যাশা করিয়া এখনকার মতো শেষ করিলাম।
ইতি--
অভাগা আমি।(তোর কক্ষসখা)
অভাগা আমি।(তোর কক্ষসখা)

