![]() |
| মানুষ বড় হয় তার চিন্তায় ও কর্মে |
মানুষ বড় হয় তার চিন্তায় ও কর্মে
মানুষ বড় হয় তার চিন্তায় ও কর্মে। আমরা সাধারণ মানুষেরা যেখানে পড়াশুনা, চাকরি কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্বারা অার্থিক মুক্তি লাভ করে সমাজে উচ্চাসন পাওয়ার আশা করি সেখানে বড় বড় মানুষেরা এমন কিছু করেন যা আমাদের মত সাধারণ মানুষেরা চিরকাল মনে রাখে।
ক'জন মন্ত্রী, সচিব, বি.সি.এস ক্যাডার কিংবা কোটিপতির নাম আপনি মনে রেখেছেন? এরা মরে যাবার পরে ক'জন মানুষ এদের নাম মনে রাখে?
আমি যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করি যে, আমার পাশের বাসার কোটিপতি মামুন আঙ্কেলকে চেনেন?আপনি বলবেন, না চিনিনা।
আমি যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করি যে, আমার পাশের বাসার কোটিপতি মামুন আঙ্কেলকে চেনেন?আপনি বলবেন, না চিনিনা।
আবার যদি জিজ্ঞেস করি, জসিম উদ্দিনকে চেনেন? আপনি বলবেন, হ্যাঁ চিনি, পল্লিকবি।
অথচ জসিম উদ্দিন আপনার-আমার জন্মেরও অনেক আগে পরপারে চলে গেছেন।
আপনার বাবা উনাকে চিনতেন, আপনি চিনেছেন এবং আপনার সন্তানও জসিম উদ্দিনকে চিনবে ভবিষ্যতে।
অথচ জসিম উদ্দিন আপনার-আমার জন্মেরও অনেক আগে পরপারে চলে গেছেন।
আপনার বাবা উনাকে চিনতেন, আপনি চিনেছেন এবং আপনার সন্তানও জসিম উদ্দিনকে চিনবে ভবিষ্যতে।
জসিম উদ্দিন, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যজিৎ রায় এরা কেউই কোটিপতি কিংবা সরকারী কোনো উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা ছিলেন না বরং এরা প্রায় প্রত্যেকেই নিদারুন অর্থকষ্টে জীবন-যাপন করেছেন। তাদের কর্মগুলো-সৃষ্টিগুলো যখন মানুষের কাছে পৌঁছেছে তখন মানুষ বুঝেছে যে তারা কত বড়, তাদের সৃষ্টিগুলো কত বড়।
শুধু যে গল্প,কবিতা,উপন্যাস লিখলেই মানুষ বড় হয় তা কিন্তু নয়।
সত্যজিৎ রায়ের বানানো একটা চলচিত্র দেখুন(যেমনঃ-পথের পাঁচালি, অপুর সংসার) তাহলেই বুঝতে পারবেন তার চিন্তার-ভাবনার বিশালতা কতটুকু।
সত্যজিৎ রায়ের বানানো একটা চলচিত্র দেখুন(যেমনঃ-পথের পাঁচালি, অপুর সংসার) তাহলেই বুঝতে পারবেন তার চিন্তার-ভাবনার বিশালতা কতটুকু।
আবার নেলসন ম্যান্ডেলা, চে গুয়েভারা, মাদার তেরেসা, মার্টিন লুথার কিং- এদের জীবনী পড়ে দেখুন নিশ্চয় বুঝবেন কেন মানুষ তাদেরকে মনে রেখেছে।
অর্থ-প্রতিপত্তি আর সমাজিক মর্যাদার সর্বোচ্য আসন লাভ করে আপনি ভোগ-বিলাশে বিলাসবহুল জীবন যাপন করতে পারবেন। কিন্তু আপনি মরে গেলে কেউ আপনাকে মনে রাখবেনা। মানুষের মনে বেঁচে থাকতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।
অর্থ-প্রতিপত্তি আর সমাজিক মর্যাদার সর্বোচ্য আসন লাভ করে আপনি ভোগ-বিলাশে বিলাসবহুল জীবন যাপন করতে পারবেন। কিন্তু আপনি মরে গেলে কেউ আপনাকে মনে রাখবেনা। মানুষের মনে বেঁচে থাকতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।
জীবন যাপনের জন্য অর্থের প্রয়োজন। বেঁচে থাকবার জন্য যতটুকু প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি অর্থের পেছনে ছুটলে তা হবে আপনার লোভ। লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু অনিবার্য।
মানুষের জন্য ভাবুন, মানুষের জন্য কাজ করুন। মানুষই আপনাকে আপনার মৃত্যুর পরেও বাঁচিয়ে রাখবে।
(বিঃদ্রঃ- লেখাটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত অভিমত। কারও মতের বিরুদ্ধে গেলে নিজ দায়িত্বে লেখাটি এড়িয়ে যান। সর্বোপরি ভুলত্রুটি মার্জনীয়)
মানুষের জন্য ভাবুন, মানুষের জন্য কাজ করুন। মানুষই আপনাকে আপনার মৃত্যুর পরেও বাঁচিয়ে রাখবে।
(বিঃদ্রঃ- লেখাটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত অভিমত। কারও মতের বিরুদ্ধে গেলে নিজ দায়িত্বে লেখাটি এড়িয়ে যান। সর্বোপরি ভুলত্রুটি মার্জনীয়)


Right
ReplyDelete