প্রেম হচ্ছে পৃথিবীর শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির একটা প্রাচীণতম রুপ। প্রেম যে করতে পারে সে নিঃসন্দেহে একজন শিল্পী।
কিন্তু সবাই যেমন কবিতা লিখতে, গান লিখতে কিংবা অভিনয় করতে পারেনা যদি না তার ভেতর জন্ম থেকেই এইব প্রতিভা থাকে, ঠিক তেমনি প্রেমও ঈশ্বর প্রদত্ত একপ্রকার প্রতিভা যা সবার ভেতর থাকেনা, তাই প্রেমও সবাই করতে পারেনা। আরেকজন মানুষকে সত্যি সত্যি ভালোবাসতে পারা, তার প্রাণের সাথে প্রাণ যোগ করতে পারা, তার ভালোতে ভালো অনূভব করা, তার খারাপে খারাপ অনূভব করা, তাকে ছাড়া জীবন যাপনের কথা ভাবতেই বুকের বামপাশে চিনচিনে ব্যথাবোধ করা-- এটা একটা অবিশ্বাস্য প্রতিভা।
কিন্তু সবাই যেমন কবিতা লিখতে, গান লিখতে কিংবা অভিনয় করতে পারেনা যদি না তার ভেতর জন্ম থেকেই এইব প্রতিভা থাকে, ঠিক তেমনি প্রেমও ঈশ্বর প্রদত্ত একপ্রকার প্রতিভা যা সবার ভেতর থাকেনা, তাই প্রেমও সবাই করতে পারেনা। আরেকজন মানুষকে সত্যি সত্যি ভালোবাসতে পারা, তার প্রাণের সাথে প্রাণ যোগ করতে পারা, তার ভালোতে ভালো অনূভব করা, তার খারাপে খারাপ অনূভব করা, তাকে ছাড়া জীবন যাপনের কথা ভাবতেই বুকের বামপাশে চিনচিনে ব্যথাবোধ করা-- এটা একটা অবিশ্বাস্য প্রতিভা।
কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যা হয়ে থাকে তা হলো মানুষ প্রেম কি তা না জেনেই প্রেমের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কেউ একাকিত্ববোধ মোচনের জন্য প্রেম করে, কেউ অন্যের দেখাদেখি নিজে প্রেমের অভিজ্ঞতা লাভের আশায় প্রেম করে, কেউ যৌন আকাঙ্খা পূরণের জন্য প্রেম, কেউ অকারণেই প্রেমে পড়ে। এছাড়াও মানুষ নানাবিধ কারণে প্রেম করে সেসব পরবর্তিতে আলোচনা করবো।
প্রথমত, মানুষ যখন একাকিত্ববোধ করে তখন সে এমন একজনকে খোঁজে যার কাছে তার সুখ-দুঃখের, ভালোলাগার-মন্দলাগার আবেগ অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করতে পারবে এবং সকল বিষয়ে তার সমর্থন লাভ করতে পারবে--এরকম কাউকে খুঁজে পেলে তখন তার প্রেমে পড়ে যায়। এটাকে একটা মানবিক প্রয়োজন পূরণ করা বলা যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, মানুষ যখন দেখে যে তার বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মি, সহপাঠি, চেনা-অচেনা চারপাশের সবাই প্রেম করছে তখন সে মনে করে যে - "আহা! সবাই আমাকে একা ফেলে প্রেম করছে, আমি বোধহয় পিছিয়ে পড়ে আছি, আমারও বোধহয় প্রেম করা উচিত, আচ্ছা একবার প্রেম করেই দেখিনা কি আছে এর মধ্যে।"
এসব ভেবেই এঁরা প্রেমকে এক্সপেরিয়েন্স করার জন্য প্রেম করে। আদতে এঁরা প্রেমের কিছুই বোঝেনা। খাঁটি বাংলায় যদি বলি তবে এঁরা "হুজুগে বাঙালি"।
তৃতীয়ত, মানুষের মধ্যে যখন যৌনাকাঙ্খা বা কামবোধ জেগে ওঠে তখন সে সেটা নিবারণের জন্য একজন সঙ্গী বা সঙ্গীনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আসলে, ক্ষুধা পেলে সেটা যেমন একটা কষ্ট, যৌনতাও ঠিক তেমনি একটা কষ্ট বা জৈবিক চাহিদা। এই যৌনাকাঙ্খা বা সেক্স স্টারভেশন থেকে কিছু মানুষ প্রেমে পড়ে।
দ্বিতীয়ত, মানুষ যখন দেখে যে তার বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মি, সহপাঠি, চেনা-অচেনা চারপাশের সবাই প্রেম করছে তখন সে মনে করে যে - "আহা! সবাই আমাকে একা ফেলে প্রেম করছে, আমি বোধহয় পিছিয়ে পড়ে আছি, আমারও বোধহয় প্রেম করা উচিত, আচ্ছা একবার প্রেম করেই দেখিনা কি আছে এর মধ্যে।"
এসব ভেবেই এঁরা প্রেমকে এক্সপেরিয়েন্স করার জন্য প্রেম করে। আদতে এঁরা প্রেমের কিছুই বোঝেনা। খাঁটি বাংলায় যদি বলি তবে এঁরা "হুজুগে বাঙালি"।
তৃতীয়ত, মানুষের মধ্যে যখন যৌনাকাঙ্খা বা কামবোধ জেগে ওঠে তখন সে সেটা নিবারণের জন্য একজন সঙ্গী বা সঙ্গীনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আসলে, ক্ষুধা পেলে সেটা যেমন একটা কষ্ট, যৌনতাও ঠিক তেমনি একটা কষ্ট বা জৈবিক চাহিদা। এই যৌনাকাঙ্খা বা সেক্স স্টারভেশন থেকে কিছু মানুষ প্রেমে পড়ে।
যাইহোক যে যার মতো কারণে-অকারণে প্রেম করছে করুক, আমার তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু এঁদের বেশিরভাগ মানুষই যে প্রেমের কিছু বোঝেনা তার প্রমাণ আমরা পাচ্ছি হরহামেশা। যেমন ধরুন, আপনি একটা মেয়ের সাথে প্রেম করছেন। দিন-রাত তার খোঁজ খবর রাখছেন, পার্কে বসে প্রেমিকার হাত ধরে আবেগে আধমরা হয়ে বলছেন,-- "তুমি আমার জান-প্রাণ, তোমার সুখেই আমার সুখ, তোমার কষ্টে আমার দ্বিগুন কষ্ট, তুমি ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকি।"
ভালো কথা, কিন্তু কোনো কারনে যখন সে মেয়েটা অন্য কারো সাথে সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে বা অন্য কাউকে বিয়ে করে সুখে থাকছে(আপনি দেখছেন যে সুখে আছে), তখন আপনার আর সহ্য হচ্ছেনা। তখন আপনি কি করছেন,--তার বিরুদ্ধে নানা রকম কুৎসা রটাচ্ছেন, তার আর আপনার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের তোলা কোনো ছবি বা ভিডিও যেগুলো আপনারা নিজেরা দেখবেন বলে তুলেছিলেন সেগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে তাকে সামাজিক ভাবে ছোট করছেন এবং সর্বোপরি তার সুখ নষ্ট করবার শেষ চেষ্টা পর্যন্ত করছেন। অথচ প্রেম করবার সময় আপনি তাকে কথা দিয়েছিলেন যে, সে সুখে থাকলেই আপনি সুখি, তার হাস্যোজ্জল মুখ মানেই আপনার হাস্যোজ্জল মুখ। তাহলে তো এখন তার সুখে থাকা দেখে এমন বিধ্বংশী হয়ে না উঠে বরং আপনারও সুখি হওয়া উচিত ছিল।
অর্থাৎ, প্রেমিক/প্রেমিকাকে যদি আমি পাই, তাহলে সে ভালো আর না পেলে সে খারাপ, সে আমার শত্রু।
ভালো কথা, কিন্তু কোনো কারনে যখন সে মেয়েটা অন্য কারো সাথে সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে বা অন্য কাউকে বিয়ে করে সুখে থাকছে(আপনি দেখছেন যে সুখে আছে), তখন আপনার আর সহ্য হচ্ছেনা। তখন আপনি কি করছেন,--তার বিরুদ্ধে নানা রকম কুৎসা রটাচ্ছেন, তার আর আপনার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের তোলা কোনো ছবি বা ভিডিও যেগুলো আপনারা নিজেরা দেখবেন বলে তুলেছিলেন সেগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে তাকে সামাজিক ভাবে ছোট করছেন এবং সর্বোপরি তার সুখ নষ্ট করবার শেষ চেষ্টা পর্যন্ত করছেন। অথচ প্রেম করবার সময় আপনি তাকে কথা দিয়েছিলেন যে, সে সুখে থাকলেই আপনি সুখি, তার হাস্যোজ্জল মুখ মানেই আপনার হাস্যোজ্জল মুখ। তাহলে তো এখন তার সুখে থাকা দেখে এমন বিধ্বংশী হয়ে না উঠে বরং আপনারও সুখি হওয়া উচিত ছিল।
অর্থাৎ, প্রেমিক/প্রেমিকাকে যদি আমি পাই, তাহলে সে ভালো আর না পেলে সে খারাপ, সে আমার শত্রু।
আজব প্রেম আপনাদের। বেশিরভাগ মানুষেরই প্রেম সম্পর্কে কোনো ধারনা নেই, বেশিরভাগ মানুষই জানেনা যে প্রেম বিষয়টা আসলে কি!! আর জানবার কথাও নয়---কারণ প্রেমের মতো একটা আশ্চর্য্য সুন্দর বিষয়কে বোঝার মতো ক্ষমতা ঈশ্বর সবাইকে দেয় না।
প্রেম সম্পর্কে কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন,
"প্রেম হল ধীর, প্রশান্ত ও চিরন্তণ।"
প্রেম সম্পর্কে আমার নিজস্ব মতামত আছে আর তা হলো, ---
"প্রেম হচ্ছে প্রতিরোধহীন শাশ্বত সুন্দর সুখানুভব।"
প্রেম সম্পর্কে কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন,
"প্রেম হল ধীর, প্রশান্ত ও চিরন্তণ।"
প্রেম সম্পর্কে আমার নিজস্ব মতামত আছে আর তা হলো, ---
"প্রেম হচ্ছে প্রতিরোধহীন শাশ্বত সুন্দর সুখানুভব।"

