তিন বছর পর আরিফের সাথে সিগমার দেখা হল;
---একথা-সেকথা শেষে সিগমা জিজ্ঞেস
করল, "তুমি এতদিন বিয়ে করনি কেন?"
আরিফ কোন উত্তর দিল না,
কিচ্ছুক্ষণ চুপ করে থেকে তারপর জিজ্ঞেস করল,
--"আচ্ছা, সব মেয়েরাই কি তোমার মতো স্বার্থপর আর দুষ্চরিত্রা হয়?"
সিগমা রাগে-ক্ষোভে বিষাক্ত সাপের মতো ফনা তুলে আরিফের গালে কষে চড় মেরে বললো,
-- "হ্যাঁ, হয়।"
সিগমার দূ'চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পরতে লাগলো।
একটু পর আরিফ বদ্ধ উন্মাদের মতো হো হো করে হেঁসে উঠে বলল,
-- "কান্না করে ফালতু সেন্টিমেন্ট তৈরী করতে চাইছ? তোমার ওসব মায়াকান্না অনেক দেখেছি আমি, এখন আর এসবে কোনো লাভ নেই। যতোদিন প্রয়োজন ছিল ঢালের মতো ব্যবহার করেছ আমাকে, তারপর ছুঁড়ে ফেলেছ। আমি যখন খুব বিরহে কাতর হয়ে হৃদয়ে শোকের বীজ বুনে তোমার অপেক্ষায় চেয়ে থেকেছি তখন তুমি অন্য পুরুষের সাথে সময় কাটিয়েছো তা তো আজো ভুলিনি আমি। এতো বছর পর তোমাকে দেখে ভালোবাসা বা সিমপ্যাথী জাগেনি আমার মনে, বরং জমে থাকা ঘৃনাগুলো হিংস্র বাঘের মতো জেগে উঠেছে আজ।"
কথাগুলো যেন এক নিঃশ্বাসে বলে গেল আরিফ।
আরিফ কোন উত্তর দিল না,
কিচ্ছুক্ষণ চুপ করে থেকে তারপর জিজ্ঞেস করল,
--"আচ্ছা, সব মেয়েরাই কি তোমার মতো স্বার্থপর আর দুষ্চরিত্রা হয়?"
সিগমা রাগে-ক্ষোভে বিষাক্ত সাপের মতো ফনা তুলে আরিফের গালে কষে চড় মেরে বললো,
-- "হ্যাঁ, হয়।"
সিগমার দূ'চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পরতে লাগলো।
একটু পর আরিফ বদ্ধ উন্মাদের মতো হো হো করে হেঁসে উঠে বলল,
-- "কান্না করে ফালতু সেন্টিমেন্ট তৈরী করতে চাইছ? তোমার ওসব মায়াকান্না অনেক দেখেছি আমি, এখন আর এসবে কোনো লাভ নেই। যতোদিন প্রয়োজন ছিল ঢালের মতো ব্যবহার করেছ আমাকে, তারপর ছুঁড়ে ফেলেছ। আমি যখন খুব বিরহে কাতর হয়ে হৃদয়ে শোকের বীজ বুনে তোমার অপেক্ষায় চেয়ে থেকেছি তখন তুমি অন্য পুরুষের সাথে সময় কাটিয়েছো তা তো আজো ভুলিনি আমি। এতো বছর পর তোমাকে দেখে ভালোবাসা বা সিমপ্যাথী জাগেনি আমার মনে, বরং জমে থাকা ঘৃনাগুলো হিংস্র বাঘের মতো জেগে উঠেছে আজ।"
কথাগুলো যেন এক নিঃশ্বাসে বলে গেল আরিফ।
--সিগমা উঠে গিয়ে আরেক পাশে দাঁড়াল।
আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম। ভেবেছিলাম এতদিন পর প্রেমিক-প্রেমিকার দেখা, দূ'জনেই খুব নস্টালজিক হয়ে পড়বে হয়তো। আমি হলে হয়ত তাই হতাম। কান পেতে ওদের কথোপকথন শুনছিলাম ওদের প্রেম কাহিনী নিয়ে একটা প্রণয়োপাখ্যান লিখব বলে। কিন্তু পরিস্হিতি দেখলাম উল্টো।
আরিফের পাশে গিয়ে বসলাম। কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। খিলক্ষেত আবাসিক এলাকার চেনা এই ছোট্ট পার্কটাকে কেন জানি খুব বেশি অচেনা লাগছে এখন আমার।
আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম। ভেবেছিলাম এতদিন পর প্রেমিক-প্রেমিকার দেখা, দূ'জনেই খুব নস্টালজিক হয়ে পড়বে হয়তো। আমি হলে হয়ত তাই হতাম। কান পেতে ওদের কথোপকথন শুনছিলাম ওদের প্রেম কাহিনী নিয়ে একটা প্রণয়োপাখ্যান লিখব বলে। কিন্তু পরিস্হিতি দেখলাম উল্টো।
আরিফের পাশে গিয়ে বসলাম। কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। খিলক্ষেত আবাসিক এলাকার চেনা এই ছোট্ট পার্কটাকে কেন জানি খুব বেশি অচেনা লাগছে এখন আমার।
আরিফ অনেকক্ষণ চুপচাপ একদৃষ্টিতে আকাশের দিকে
তাকিয়ে আছে।
আমি আরেকটা সিগারেট ধরিয়ে আরিফকে ডাকলাম,
--"আরিফ"
আরিফ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,
--"ভাই, মেয়ে মানুষ সব পারে তাই না?"
--আমি বললাম,...."হুম"
আমি আরেকটা সিগারেট ধরিয়ে আরিফকে ডাকলাম,
--"আরিফ"
আরিফ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,
--"ভাই, মেয়ে মানুষ সব পারে তাই না?"
--আমি বললাম,...."হুম"
আরিফের চোখে আমি ঘৃনা দেখলাম না, যা দেখলাম তা হল "উপেক্ষিত ভালোবাসা"।
--প্রেম একদিন ফুরিয়ে যায় বোধহয়,কিন্তু ভালোবাসা কখনো ফুরায় কি?
--প্রেম একদিন ফুরিয়ে যায় বোধহয়,কিন্তু ভালোবাসা কখনো ফুরায় কি?

